Saturday, 21 September 2013

Hot Downloads of 2013 ! মেয়ে আর মেয়ের মাকে চোদন



মেয়ে আর মেয়ের মাকে চোদন

লীখন খুবই মনের আনন্দে আছেকারন লীখন কচি মেয়েকে চুদতেছে আজ প্রায় তিন বছরযাবত। লীখনের সাথে প্রেমার মার পরিচয় হয় ইন্টার্নেটের তাগ ওয়েব সাইডের মাধ্যমেপ্রথমেবন্ধুত্ব পরে খুবই ঘনিষ্ট সম্পর্ক হয় আচলের সাথে (প্রেমার মায়ের নাম আচল কথা), লীখনেরচেয়ে ১২ বছরের বড় প্রেমার মাতারপরেও লীখন আর প্রেমার মার বন্ধুত্ব অনেক গভীর।একজন আরেকজনের সাথে কথা না বলে একদিনও থাকতে পারে না। প্রেমার বাবার সাথেপ্রেমার মার ডিভোর্স হয় যখন প্রেমার বয়স দুই বছর। আচল ভাবী পরে আর বিয়ে করেনি।ভালো কোন ছেলে পায়নি তাই বিয়ে আর করেনি। কিন্তু আচল ভাবীর সাথে মহিম নামের একলোকের পরিচয় হয়পরে তাদের মাঝে প্রতিদিন চোদা-চুদি হয়ে থাকে। যাক সেই কথাআসলকথায়ে আসা যাকআচল ভাবী একদিন লীখনকে তাদের বাসাতে দুপুরের খাবারের জন্যেআমন্তন করে ছিলোসেই থেকে লীখন প্রেমাদের বাসায় প্রতিদিনই যেতআর এই আসা যাওয়ারমাধ্যমে লীখনের সাথে প্রেমারও পরিচয় হয়প্রেমা লীখনকে কাকু বলে ডাকতোএইভাবে লীখনআর প্রেমা একজন আরেকজনের খুবই কাচা-কাছি চলে আসেপরে লীখন আর প্রেমার মাঝেদৈহিক মিলনও হতে থাকে। এইভাবে প্রায় বছর খানিক কেঁটে গেলো। আর আচল ভাবী কেমনজানি একটু একটু সন্দেহ করা শুরু করেছে। খুবই স্বাভাবিক - গত দুই বছরে প্রেমার স্তন আরপাছা যেভাবে বেড়েছে আর এখন যা হয়েছে। প্রেমা এখন আর লীখনকে কাকু বলে ডাকে না।প্রেমাকে যখনই সেই কথা  বলা হয় তখনই  চোদন খেতে খেতে বলল যে ‘রাখো তো, মাকে অতপাত্তা দিবা না। মা যে দুপুর বেলায় আমি স্কুলে চলে যাওয়ার পর মহিম কাকুকে বাসায় ডেকেতারা চোদা চুদি করে তার বেলায় কি শুধুই জিরো?

 

 

মহিম কাকু কে?'

বাবার সাথে এক সময় ব্যবসা করতো।

একদিন দুপুরে লীখনের মোবাইল ফোনে কল পেল

‘’লীখন আমি তোমার আচল ভাবী বলছি।'

 ভাবীহ্যাঁ বলুন?

তুমি এক্ষুনি একটু আসো তো।

 

এখন দুটো বাজেভার্সিটি ৫টায় ছুটির পর গেলে হবে না?

নাগো দেরী হয়ে যাবে। তোমার তো এখন টিফিন পিরিয়ড। আমার এখানে তুমি খাবে চলেআসো।

যাক, লীখন ভাবল হয়ত আচল ভাবীর শরীর খারাপ। সে ভাবীর বাসায় গিয়ে কলিং বেলবাজাল। ভাবী বেরিয়ে এল। দেখেতো অসুস্থতার কোন চিহ্নই চোখে পড়ল না। একটা হাতকাটাডিপনেক পাতলা নাইটি পরে আছে। ভিতরে ব্রা পেন্টি কিছু নেই। মাই, পাছা সব পরিষ্কার বোঝাযাচ্ছে। লীখনের ধোন তো ৯০ ডিগ্রী হয়ে গেলো। যাই হোক লীখন সোফায় বসল

ভাবীঃ  দেখো তো তোমাকে এখন ডাকার কারণবিকালে প্রেমা থাকবেতাই বলা যাবে না

লীখনঃ  ব্যাপারটা কি ভাবী?

ভাবীঃ দেখো লীখনতোমার আর প্রেমার চোদনলীলা আমি সব জানি। তুমি আমার মেয়েটাকেএভাবে নষ্ট করছ কেনওতো এখনো বাচ্চা মেয়ে মানুষমোহে পড়ে আছে

লীখনঃ আমি প্রেমাকে বিয়ে করব

ভাবীঃ মেয়ের মার বিনা অনুমতিতে কি তুমি বিয়ে করবে নাকি?

লীখনঃ সেটার সময় হলেই আমরা অনুমতি চাইব

ভাবীঃ ঠিক আছে আগে খেয়ে নাওতোমার লাঞ্চ তো এখনো হয়নি

 

খাওয়ার পর লীখন উঠতে যাবে ভার্সিটিতে ফেরত যাবার জন্য। আচল ভাবী সোফায় বসে উঃকরে বসে পড়ল। কি হল ভাবীবলে লীখন এগিয়ে গেল

 

ভাবীঃ কোমরে একটা ফিক ব্যথা হয়েছে

লীখনঃ ঘরে মুভ আছে?

ভাবীঃ আছেকিন্তু প্রেমা না আসা পর্যন্ত কে লাগিয়ে দেবে?

লিখনঃ যদি কিছু না মনে করো তাহলে আমি লাগিয়ে দিচ্ছি

ভাবীঃ  সেতো আমার পরম সৌভাগ্য

ভাবী ডিভানের উপর উপুড় হয়ে শুলো

লীখনঃ কিন্তু ভাবীতোমার নাইটিটা একটু কোমরের উপরে উঠাও?

ভাবীঃ এর জন্য আলাদা অনুমতি দরকার?

 

লীখন কোন কথা না শুনে ভাবীর নাইটিটা কোমরের উপর তুলে দিল। লীখন ভাবীর কোমরমালিশ করবে কিদলদলে ধামসানো পাছা দেখে চিত্তির ফাক। মনে মনে ঠিক করল আজভাবীকে না চুদে  যাবে না। কোমর মালিশ করতে করতে ইচ্ছে করে পাছাও টিপে দিচ্ছে। আচলভাবী কোন আপত্তি করছে না। বরং উল্টো বলল ‘পিছনটা বেশ আরাম লাগল। সামনের দিকটাএকটু দেখো ভাই।'

 

লীখন সাথে সাথে ভাবীকে চিৎ করে শুঁইয়ে দিল। লীখন মালিশ করবে কি - কতদিন এই রকমগুদ কল্পনা করেছে চোদার জন্য। পরিষ্কার বাল কামানো। মসৃণগুদের ঠোঁট দুটো গোলাপেরপাপড়ি৪৪ বছরের মাগীর খানদানী সতেজ গুদ দেখে লীখনের মাথার মধ্যে ভো ভো শুরু হয়েগেছে। ভাবী চোখ ভোঁজা অবস্থায় বলল, ‘কি ব্যপার লীখন, আমারটা কি প্রেমার চেয়ে খুবখারাপ নাকি?' লীখনের সব বাঁধ ভেঙে গেল। ভাবীকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে লাগল আর ঠোঁটচুষতে চুষতে বলল, ‘ভাবী তোমার এই গুদের কাছে প্রেমার গুদের কোন তুলনায় হয় না।'

ইতিমধ্যে ভাবীর নাইটি পুরো খুলে ফেলেছেভাবীও লীখনের প্যান্ট জামা সব খুলে ফেলেছে।লীখন ঠিক করতে পারছে নাকোনটা ছেড়ে কোনটা ধরবেমাই না গুদ না পাছা। লীখন ডানমাইটা চুষতে থাকল আর বা দিকের খয়েরী নিপল মৃদু ভাবে খুঁটতে থাকল। ভাবী উঃ আঃ স্বরেশীৎকার করতে থাকল। তলপেটে হালকা চর্বি জমায়  জায়গা আকর্ষণীয়। লীখন তলপেটরগড়াতে থাকল। গুদে আঙুল দিয়ে দেখে হড়হড় করে রস কাটছে। লীখন পাগলের মত জিভঢুকিয়ে দিয়ে রস খেতে থাকল। ভাবী লীখনের মুণ্ডিটা হালকা করে চাপ দিয়ে বলল ‘একা রসখেলে হবে? ৬৯ পজিশনে লীখনকে শুইয়ে দিয়ে লীখনের ধোনটা মুখে নিয়ে আইসক্রিমের মতচুষতে থাকল। আর লীখন তো বিরামহীন চুষে চলেছে। ভাবী বলল ‘আর পারছিনা গোতোমারআইফেল টাওয়ার টাকে এইবার আমার গুদের মধ্যে ডুঁকিয়ে দাও তারা তারিআমি আর পারছিনা গো

 

লীগন ভাবীকে জিজ্ঞাসা করল ‘কিভাবে তোমার পছন্দ ভাবী সোনা?

ভাবীঃ ‘তুমি আমাকে কুত্তিচোদা কর।

ভাবী উপুড় হয়ে শুঁইলোমাই দুটো দুলতে থাকল - সে এক অপরুপ দৃশ্য। লীখন মাই দুটো পিছনথেকে ধরে পকপক করে টিপতে টিপতে বাড়াটা ভাবীর গুদে ঢুকিয়ে দিয়ে সজোরে একটা ধাক্কাদিয়ে বাড়াটা ভাবীর গুদের ভিতরে ঢুঁকে গেলো - ভসভস করে ঢুকিয়ে দিল আর ফচাৎ ফচাৎকরে জোরে জোরে চুদতে লাগলো। এই ভাবে ১০ মিনিট চোদার পর ভাবী মাল ছেড়ে দিলো আরলীখন চুদেই চলছে। পরে ৩০ মিনিট পরে লীখন ভাবীকে বলল যে ভাবী আমারও হয়ে আসছে,তা আমি আমার মাল গুলো কোথায়ে ফেলবো, বাহিরে না গুদের ভিতরেভাবী বলল যে গুদেরভিতরে ফেলো। পরে লীখন আরো কিছুক্ষন সময় জোরে জোরে চুদে ভাবীর গুদের ভিতরেসবটুকু মাল ঢেলে দিল

কিছুক্ষন পরে ভাবী বলল যে ‘কি আরো চলবেনাকি কঁচি গুদ মারবার ইচ্ছা আছে?

লীখন মাই টিপতে টিপতে বলল, ‘এই রকম খানদানী গুদের কাছে কচি গুদ নস্যি।

 

আচল ভাবী লীখনের কাছ থেকে কথা নিয়ে নিল যে দুপুরে এখানে খাবে আর আচল ভাবীকেচোদন খাইয়ে আসবে। মহিম ভাই  প্রেমার সামনে বাইরে খাবার সহ্য হচ্ছেনা বলে পেয়িংগেষ্টের ব্যাপারটা ঠিক করে নিল। লীখন তো মহানন্দে দুপুরে মাকে সন্ধ্যায় মেয়েকে চুদতেথাকল। মহিমের সাথে আচল ভাবীর গোলমাল হওয়াতে ভাবী এখন পুরোপুরিই লীখনেরী।ভাবীকে লীখন আর ভাবী বলে ডাকে না। লীখন আরেকটা জিনিস দেখেছেভাবীকে চুদতেঅনেক বেশী মজা পাওয়া যায়যা প্রেমাকে চুদে তা পাওয়া যায় না। ভাবী কোন কন্ডম ব্যবহারকরা পছন্দ করে না। তাইতো আচল ভাবীকে জন্ম নিরোধক ব্যবস্থা ছাড়াই চুদতে থাকল। আরপ্রেমার ক্ষেত্রে পুরো জন্ম নিরোধক ব্যবস্থা নিয়ে ওকে চুদতে হতো। এর ফলে আচল ভাবী বছরখানেকের মধ্যে গর্ভবতী হয়ে গেল। যথা সময়ে একটা ছেলে হলো। একমাত্র লীখন আর ভাবীইজানে যে ছেলের বাপটা লীখন। লীখন ভার্সিটিতে জানিয়ে দিল যে সে আরো কিছুদিন ক্লাসেআসতে পারবে না। প্রেমা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর লীখনের তাকে প্রেমার বিয়ে দেওয়াহলো। আর ততদিনে পাঁচ বছর ধরে লীখনের চোদন খেয়ে প্রেমাও খানদানী মাগী হয়ে গেছে।লীখন আলাদা ফ্ল্যাটে উঠেছে। কিন্তু লীখনের সেই চোদন লীলা এখনও চলতেছেযেমন দুপুরেআচল ভাবীকে চোদে আর রাতে ওর বউ প্রেমাকে চোদে - এইভাবে এখনো চলতেছে তাদেরতিনজনের চোদন লীলা